জরুরী পরিসেবার গাড়ীও আটকে আছে শিমুলিয়া ঘাটে

177

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশ পথ শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ-রুটে লক ডাউনের দ্বিতীয় দিনেও পার হতে পারেনি জরুরী পরিসেবার যানবাহনসহ পন্যবাহী ট্রাক সমূহ। যানবাহন চালকদের অভিযোগ পন্যবাহী ট্রাক ও জরুরী পরিসেবার গারিগুলোকে অগ্রধিকার না দিয়ে মটোরসাইকেল ও ব্যাক্তিগত যানবাহন পারাপারে ব্যাস্ত রয়েছে ফেরী কতৃপক্ষ।
বাংলাবাজার নৌ-রুটে গত লক ডাউনেও পারাপার হয়েছে পন্যবাহী ট্রাক ও জরুরী পরিসেবার যানবাহন। কিন্ত এ বারের পেক্ষাপট ভিন্ন। দিনের পর দিন লাইনে দাড়িয়ে থেকে ফেরীতে উঠার আগেই কখনো থানা পুলিশ আবার কখনো ট্রাফিক পুলিশ আবার কখনো বিআইডøিউটিসি কর্তৃপক্ষের নানা অজুহাতে এসব যানবাহনকে ফেরীতে উঠতে দিচ্ছেনা। যার ফলে প্রতিদিনিই বাড়ছে পন্যবাহী ট্রাক, জরুরী পরিসেবার যানবাহন ও কভ্যাটভ্যানের সংখ্যা। আর এসব যানবাহনের সারি ঘাট এলাকা ছাড়িয়ে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে পাশ^বর্তী শ্রীনগর উপজেলার কেওটচিরা পর্যন্ত গিয়ে ঠেকলেছে। এসব পারাপারের তেমন কোন পদক্ষেপ নেয়নি বিআইডব্লিউটিসি কতৃপক্ষ। বরং এ নৌ- রুটে ৪ টি রোরো, ৬টি ড্রাম, ৩ টি কে-টাইপ ও ৩ টি ছোটসহ মোট ১৬ টি ফেরী থাকলেও উপরের দির্দেশনার অজুহাতে ঘাট এলাকায় ১৪ টি ফেরীই এক প্রকার অলস সময় পার করছে। ফরিদপুর ও কুমিল্লা নামক দুটি ছোট ফেরী দিয়ে নামে মাত্র ঘাটটি চালু রেখেছে বিআইডব্লিউটিসি। আর এসব ফেরী দিয়ে মটোসাইকেল, ব্যাক্তিগত যানবাহন, ভিআইপি গাড়ী ও এ্যাম্বুলেন্স পারাপার করা হচ্ছে। যার ফলে পারাপার হতে আসা যানবহন চালকরা গত তিন দিন ধরেই রাস্তায় ক্ষেয়ে না ক্ষেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।
এ ব্যাপাওে কিআইডব্লিউটিসি’র শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম সত্যতা স্বীকার কওে বলেন, ঘাট থেকে লঞ্চ,সিবোট ট্ররার সবই চলছে। কিন্তু আমাদেও শুধু মাত্র জরুরী পরিসেবার যানবাহন পারাপারের নির্দেশনা রয়েছে। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি পলে ফেরির সংখ্যা বাড়ানো হবে।#