পদ্মা সেতুকে ঘিরে সোনারগাঁ হোটেলের এক্সটেনশন করার চিন্তা চলছে

130

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি॥

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট মো. মাহবুব আলী বলেছেন, আমাদের পরিকল্পনা আছে পদ্মা সেতুকে ঘিরে মাওয়া এলাকায় সোনারগাঁ হোটেলে এক্সটেনশন করার। ৬টি বাস পর্যটকদের জন্য আনা হচ্ছে। বাংলাদেশ একদিন বিশে^র বুকে মাথা উচু করে দাঁড়াবে। মাথা উচু করে দাড়ানোর যে প্রক্রিয়া, সেই প্রক্রিয়ার একটি আংশ এই অত্যাধুনিক খামার। আমি মিডিয়াতে ও টেলিভিশনে দেখেছি জার্মানি ও হল্যান্ডের যে খামার এটি ওই ধরনেরই একটি উন্নত মানের খামার। আমাদের দেশে সরকারের টার্গেট কর্ম সংস্থান সৃষ্টি করা, এ্যাম্পলয়মেন্ট জেনারেট করা, ইকোনমি বোস্টাব করা। এ গ্রুপের যে সব ইন্ডাস্ট্রি আছে এগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু দিন পূর্বে মানননীয় কৃষি মন্ত্রী এয়ারপোর্টে গিয়ে বলেছেন এক বিলিনয় ডলার পাট রপ্তানি করে পাই। আমরা যদি মাংস ভেজিটেবল এ গ্রুপের রপ্তানি করতে পারি, তবে ফরেন ক্যারেন্সি আর্নিয়ের ব্যাপরে গার্মেন্টেসের মত আমাদের ভবিষ্যত অনেক উজ্জল। আমরা অনেক ভাল করতে পারবো। এ ফার্মের যে আবস্থা তা দেখে অনেকেই এ ধরণের ফার্ম করতে উৎসাহিত হবে। এতে করে আমাদের দেশের মানুষের কর্মসংস্থান হবে, অর্থননীতি সমৃদ্ধি হবে। তিনি শনিবার মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের সাতঘড়িয়ার ডাচ ডেইরি ফার্ম পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমদের পদ্মা সেতু একাকা একটি উজ্জল সম্ভাবনার এলাকা। মানীয় প্রধান মন্ত্রী বঙ্গবন্ধ কন্যা শেখ হাসিনার ঐকান্তি উদ্যোগে পদ্মা সেতু দৃশ্যমান। আগামী হয়তো কয়েক মাসের মধ্যে পদ্মা ব্রিজ চালু হবে। সুতরাং এ এলাকায় এ ধরণের একটি খামার যেকোন দেশী বিদেশী পর্যটকরা এটি পরিদর্শণে আসবে। পর্যটন শিল্পে বহু মাত্রিকতা আনবে এ খামার। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ^ পর্যটক দিবস। আমার বিশ^াস সেদিন বহু পর্যটক আসবে এ খামারসহ পদ্মা পারের নান্দনিক দৃশ্য দেখতে। এটার দেখাদেখি অনেকেই এধরণের খামার করার উদ্যোগি হবে। সরকারের পক্ষ থেকে সকল ধরণে সহযোগিতার দ্বার অবধারিত করা হয়েছে। এসব ব্যাপাারে সরকার সব ধরণের আর্থিক প্রনোদনা দিচ্ছেন। এবং আর্থিকভাবেও সাহায্য করছেন। কভিডের মধ্যেও আমরা আবার গার্মেন্টস রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে এসেছি। অন্যান্য ক্ষেতে রপ্তানির জন্য মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ইতিমধ্যে দুটি কার্গো বিমান আনার কথা বলেছেন। আমরা সেই দিকে এগুচ্ছি। এটি হলে রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে।
মন্ত্রী বআরো বলেন, আমারদের পরিকল্পনা আছে সোনারগাঁ হোটেলের একটি এক্সটেনশ কিছু করার। কিছু দিন আগেও সোনারগাঁ হোটেলের এমডির সাথে আমার কথা হয়েছে। ওনাদের মনের মধ্যেও এ ধরণের একটি পরিকল্পনা আছে। এর বাইরেও পর্যটন শিল্পের জন এখানে কিচু একটা করতে হবে। যেহেতু এখানে পদ্মা ব্রিজ, রিভার এন্ড ট্যুরিজম। অনেক সুযোগ আছে এখানে অনেক কিছু করার। আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সেচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। দেশী বিদশী পর্যটন বিশেষ করে দক্ষিনবঙ্গের যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, প্রচ্যের ভ্যানিস হিসেবে খ্যাত আমাদের বরিশাল। যাতে বিদেশী পর্যটকরা এসে সেই সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে, সেই দিকে দৃষ্টি রেখে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী পদ্মা সেতুতে হাত দিয়েছেন।


মন্ত্রী বলেন, বিশে^র লার্জেজ ব্রিজের মধ্যে পদ্মা সেতু অন্যতম। বাংলাদেশেও বিশে^র বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ আসবে। আমাদের কর্মকান্ড প্রসারিত করবো। এবং পর্যটনের রিসোর্টসহ আরো কী কী করা যায় সে ব্যাপারে উদ্যোগ নিবো। এতিমধ্যে আমার ৬টি বাস প্রায় চুড়ান্ত করেছি। বিশে^র সবচেয়ে অত্যাধুনিক বাস, যেগুলো লন্ডব বা ইউরোপে দেখা যায়। আমরা সেরকম ৬টি বাস চালু করতে যাচ্ছি এরুটে। ঢাকা থেকে যাতে পর্যটকরা এ বাসে করে পদ্মা সেতুর এ এলাকা পরিদর্শণে আসতে পারে। এতে একটি বহুমাত্রিকতা আসবে। এবং পযটকরা এ ধরণের খমারও পরিদর্শণ করতে পারবে।
এ সময় মন্ত্রীর সাথে ছিলেন, কিশোরগঞ্জের এমপি নূর মোহাম্মদ, মুন্সীগঞ্জের এডিসি জেনারেল আব্দুল কাদেও মিয়া, লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল, ডাচ ডেইরি ফার্মের এমডি মো. জিল্লুর রহমান মৃধা রিপন প্রমূখ।#