পদ্মা সেতুর সড়ক ও রেলপথ একই সঙ্গে চালু করা নিয়ে সংশয়

119

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, পদ্মা সেতুতে রেল ট্র্যাক বসাতে অন্তত ছয় মাস সময় লাগবে। চলতি বছরের ডিসেম্বর বা আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ যদি রেল ট্র্যাক বসানোর জন্য পদ্মা সেতু রেল মন্ত্রণালয়কে হস্তান্তর না করে, তাহলে জুনের মধ্যে সড়ক ও রেলপথ একইসঙ্গে চালু করা সম্ভভ না-ও হতে পারে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে রেল লিংকের ভায়াডেক্ট টু-তে তিনি এ সব কথা বলেন। এর পূর্বে তিনি রিমোর্ট ক্রেন দিয়ে রেলের নির্মাণাধীন কাজের দেড়-কিলোমিটার এলাকা ঘুরে দেখেন। বাংলাদেশ রেলওয়ের ডিজি ও পদ্মা সেতু রেল প্রকল্পের পরিচালক মো. আফজাল হোসেন, রেল মন্ত্রনালয়ের সচিব সেলিম রেজা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতুর মূল হলো সড়ক। আমরা চাই একদিনে যেন সড়ক-রেলের উদ্বোধন করা যায়। সমন্বয়ের চেষ্টা করছি। কোনো কারণে একদিনে উদ্বোধন করতে না পারলে দ্বিতীয় একটা চিন্তা করে রেখেছি। সে ক্ষেত্রে আগামী বছরের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত রেল অপারেট করা হবে।
রেলমন্ত্রী আরো বলেন, সকল কাজের পাশাপাশি রেলকেও যদি কাজ করার সুযোগ করে দেয়, তাহলে আমরাও কাজটা এগিয়ে নিতাম। নির্দিষ্ট সময়েই বিদ্যুত, গ্যাসসহ আমাদের রেলের কাজটা সম্পন্ন হতো। আজকে পদ্মা সেতুর রেলের ভায়া ডক্টের উপর দিয়ে দেড় কিলোমিটার রেল নিয়ে ভ্রমন করেছি। আগামী জুন মাসে সড়ক পথ খুলে দেওয়া হবে। ভাঙ্গা ও মাওয়া প্রান্তে রেলের কাজ প্রস্তুত হয়ে যাবে। শুধু ব্রীজের যে অংশে কাজ করার অনুমতি আমরা পাইনি। আমরা আশা করছি ডিসেম্বর বা জানুয়ারীর মধ্যেও যদি অনুমতি পাই তাহলে আনুমানকি ৬ মাসের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারবো। প্রাইরোটি হলো সড়কের এর সঙ্গে রেল আছে। এটা ট্যাকনিক্যাল বিষয়। যারা ট্যাকনিক্যালম্যান তাদের সাথে আমাদের সমন্বয়টা করা হচ্ছে। যদি কোন কারণে আমরা একই দিনে রেল উদ্বোধন করতে না পারি, তাহলে ২য় চিন্তা আমরা রেখেছি। সেটা হলো ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত এই টোটালটাই রেল অপারেট করবো আগামী ২২ সালের ১৬ ডিসেম্বরে। পদ্মা সেতুর রেলের সার্বিক অগ্রগতি হলো ভাঙ্গা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৭১ শতাংশ, আর ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত অগ্রগতি ৪০ শতাংশ। #