মুন্সীগঞ্জের আড়িয়ল বিলে এবার মিষ্টি কুমড়ো ও উস্তের বাম্পার ফলন

350

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জ জেলার অড়িয়ল বিলে এ বছর মিষ্টি কুমড়োর বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে এ বছর এ বিলে মিষ্টি কুমড়োর সাথে উস্তার বাম্পার ফলন হলেও দাম কম পাওয়ায় হতাশায় ও দূশ্চিন্তায় পড়েছে এ অঞ্চলের কৃষকরা। এ বিলের উৎপাদিত কুমড়োর একেকটির ওজন ৫ থেকে ১৫০ কেজি পর্যন্ত হলেও সে সব কুমড়োর সঠিক দাম পাচ্ছেনা কুমড়ো চাষীরা। যার ফলে বহু মিষ্টি কুমড়া পচে গলে নষ্ট হয়ে যাছে ক্ষেতে। এসব মিষ্টি কুমড়ো ও উস্তে চাষীদের উপজেলা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কোন প্রকার সহয়তা বা পরামর্শ দেওয় হয়নি বলে দাবী কৃষকদের। তবে কৃষি কর্মকর্তার দাবী প্রকৃতভাবেই এ বিলের মাটিতে যৌব সার থাকায় কোন প্রকার সার বা কিটনাশকের প্রয়োজন হয়না।
খোজ নিয়ে জানা যায়, এ আড়িয়ল বিলের শ্রীনগর উপজেলা অংশের ১৯০ হেক্টর জমিতে মিস্টি কুমড়ার পাশাপাশি ২০ হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছে উস্তা। আড়িয়ল বিলের ভৌগলিক সিমানা মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর শ্রীনগর উপজেলার গাদিঘাট থেকে শুরু হয়ে ঢাকা জেলার দোহাড় উপজেলা পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। আর এ বছর এ বিলের প্রতি হেক্টর জমিতে কমপক্ষে ৪২ টন মিষ্টি কুমড়োর আবাদ হয়েছে। দাম কম পাওয়ায় এসব মিষ্টি কুমড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছে কৃষক ও ব্যাবসায়ীরা। গত বছর ১০৫ কেজি ওজনের একটি মিষ্টি কুমোড় ৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হলেও এ বছর তা বিক্রি করতে হচ্ছে ২ হাজার টাকায়। আর উস্তা বা উচ্ছে কেজি প্রতি ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় দরে বিক্রি হলেও এবার তা বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৮ টাকা দরে। সার, কিটনাশক, জমির ভাড়া ও বদলী কৃষককের দাম বেশি হওয়ায় কুমড়ো ও উস্তে চাষ করে লোকসানের কবলে পড়েছে কৃষকরা। এ বছর এ বিলে কুমড়ো ও উস্তের বাম্পার ফলন হলেও উৎপাদিত কৃষির সঠিক মূল্য না পাওয়ায় এসব চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষকরা।

শ্রীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শান্তনা রানী জানান, কৃষক ও কৃষকের উৎপাদিত ফসলের সঠিক দাম পেলে উৎসাহিত হবে কৃষক। আর তখনি খাদ্য ও সবজিতে সয়ং সম্পূর্ন হবে দেশ। তাই এক্ষনি এসব চাষীদের দিকে কৃষি বিভাগের নজর দেওয়ার দাবীর প্রত্যাশা সকলের।#