মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হতে চান মানবতার ফেরিওয়ালা মর্তুজা খান

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিত লৌহজং উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মর্তুজা খান এবার জেলা যুবলীগের প্রার্থী হতে চলেছেন। গত মঙ্গলবার তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য তাঁর জীবণ বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মর্তুজা খান লৌহজং উপজেলা ছাত্রলীগের দুইবার যুগ্ম সাধারণ ও জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মৌছা গ্রামের এই কৃতি সন্তান করোনাকালে মৃত ব্যত্তিদের লাশ দাফন করে তিনি হয়ে উঠেন মানবতার ফেরিওয়ালা। সন্তান যখন বাবা-মায়ের লাশ, স্ত্রী যখন স্বামী বা স্বামী-স্ত্রী’র লাশের ধারে কাছে যেতে চাচ্ছিলনা, তখন এই মর্তুজা খান একটি টিম গঠন করে পুরো লৌহজংয়ে করোনায় মৃত ব্যক্তিদের লাশ দাফন করে এলাকাবাসীর কাছে তার মাবতার স্বাক্ষর রাখেন। সেই থেকে মর্তুজা মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে এলাকাবাসীর কাছে পরিচিতি লাভ করেন।
অত্যন্ত বিনয়ী স্বভাবের মর্তুজা করোনাকালে দলীয় নির্দেশনায় মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন কাজ করেন রাজনৈতিক দায়িত্ববোধ থেকে। শুধু তাই নয়, ধান কাটা মৌসুমে যখন সারা দেশে শ্রমিক সংকট চলছিল, তখন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দেশে মর্তুজা খান তার এলাকায় কৃষক-কৃষাণীর ফসলি জমির পাকা ধান কেটে বাড়িতে তুলে দিয়েছেন। আর এসকল ফসল পানির নীচে ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা পাওয়ায় তা সারা দেশের খাদ্য ঘাটতি পূরণে জাতীয়ভাবে সহায়ক হয়েছে। বিগত দিনের বন্যার সময় তাকে দেখা গেছে বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন খাদ্যসামগ্রী ও ত্রাণ নিয়ে। এসমনকি করোনার সময়ও তাকে দেখা গেছে মানুষের বাড়ি বাড়ি ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতে।
তাঁর এসকল কর্মকান্ড সেই সময় দলীয় ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে উজ্জ্বল করে। কেন্দ্রীয় নেতারা তাঁর কর্মকান্ডে ভূঁয়সি প্রশংসা করেন। তাঁর রাজনীতির ধারাটা বর্তমান সময়ে অনেকটা ভিন্ন ধরণের বলে মনে করেন এলাকাবাসী। কারণ বর্তমানে রাজনীতিতে অনেকেই আসেন নিজের পকেটভারী করতে, কিন্তু মর্তুজা জেনো ভিন্ন রকম। মানব সেবা করাই জেনো তাঁর রাজনীতি। তাইতো তিনি এবার জেলার নেতা হয়ে জেলাবাসীকে সেবা দিতে মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হতে চলেছেন। যুবলীগের অনেক নেতাকর্মীই মনে করেন মর্তুজার মত লোক যুবলীগের নেতৃত্বে আসলে যুবলীগ আরো শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হবে। তাঁর নের্তৃত্বে জেলা ও উপজেলা এবং তৃনমুল পর্যায়ে নেতাকর্মীরা থাকবে সক্রিয়। এতে গতি ফিরে আসবে তৃনমূলের যুবলীগে।
কথা হতে মর্তুজা খান জানান, তিনি যুবলীগের একজন সক্রিয় কর্মী মাত্র। তিনি যদি জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হতে পারে, তবে জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়ন এবং দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করে সকলকে সাথে নিয়ে একযোগে কাজ করে যাবে। তাঁর সাংগঠনিক মেধা ও যোগ্যতা কাজে লাগিয়ে জেলা যুবলীগকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে পারবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। যুবলীগই পারে দলের দুর্দিনে দলকে শক্তিশালী করতে। আর একটি শক্তিশালী দলের জন্য দরকার সুযোগ্য নেতা। তিনি মনে করেন নের্তৃত্ব পেলে মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবলীগ আরো শক্তিশালী হয়ে জনগণের পাশে দাঁড়াবে।