লৌহজংয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার দুই কিশোরী, গ্রেপ্তার ৬ যুবক

1679

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে ফেস বুকে পরিচয়ে বেড়াতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে দুই কিশোরী। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ধর্ষণ মামলার ৬ আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে লৌহজং থানা পুলিশ।
লৌহজং থানার ওসি পরিদর্শক মো. আলমগীর হোসাইন জানান, আসামি জীবন শেখ ও আদনান ঢাকার কেরাণীগঞ্জের ষষ্ঠ ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তাদের সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেস বুকে পরিচয় হয় কেরানীগঞ্জের দ্ইু কিশোরীর। ওই দুই কিশোরীকে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শিমুলিয়া ঘাটে বেড়াতে নিয়ে আসে তারা। পরে গভীর রাতে মেদিনী মন্ডল ইউনিয়নের পদ্মা সেতুর যশলদিয়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের নির্জন একটি ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। এরপর বুধবার সকালে কিশোরীরা কেরাণীগঞ্জে তাদের বাসায় চলে যায়। পরে ভুক্তভোগীদের পরিবার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় বিষয়টি অবহিত করে। কেরাণীগঞ্জ থানা পুলিশ লৌহজং থানা পুলিশকে জানালে গত বুধবার রাতভর অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে ছয় যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনার লৌহজং থানায় বৃহস্পতিবার সাত জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আরেক অভিযুক্ত সোহেল (২৪) পলাতক রয়েছে। তাকে দ্রæত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’ তবে তিনি জানান, এদের মধ্যে ২ জন ওই দুই কিশোরীকে একজনকে ২ বার ও এক জনকে ১ বার মোট ৩ বার ধর্ষণ করেছে। বাকীরা ধর্ষণ কাজে সহযোগীতা করেছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা হলো- লৌহজংয়ের উত্তর যশলদিয়া গ্রামের মো. মাসুম শেখের পুত্র অমাইক (২৩), যশলদিয়া প্রজেক্টেও মৃত রহিম মিয়ার পুত্র মো. রনি শেখ(২৪), কেরানীগঞ্জের তেলঘাট এলাকার হারুন মিয়ার ভারাটিয়া জীবন শেখ জুয়েল (২৫), শ্রীনগরের মো. মাসুম আলীর পুত্র আদনান রিফাত(১৯), মৃত সাকিব হোসেনের পুত্র কাইফি মীর (২২) এবং যশলদিয়ার লতিফ নদীর পুত্ররবিন (২৬)।