শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ট্রলারে চাঁদাবাজি

199

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ট্রালারে চাঁদাবাজি হচ্ছে। অর এ চাঁদাবাজির সাথে সরাসরি যুক্ত রয়েছে বিআইডব্লিউটিএ’র বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক ইনেস্পক্টর (টিআই) মো. আক্তার হোসেন।
বুধবার সরজমিনে নৌরুটে গিয়ে দেখা যায়, লকডাউনের কারণে শিমুলিয়া ও বাংলাবাজার ঘাটে গত ৩ দিন ধরে কিছু যাত্রী আটকে পড়েছে। আর এসব আটকে পড়া যাত্রী বিকল্পভাবে ট্রলারযোগ পদ্মা নদী পারি দিচ্ছে। এসব ট্রলার ঘাট থেকে ছেড়ে যখন মাঝ পদ্মায় যাচ্ছে, তখন একটি সিবোট দিয়ে এসব ট্রলার থামিয়ে নৌ পুলিশের নামে চাঁদা আদায় করছে। এমন অভিযোগ গত তিন দিন ধরে। সরজমিনে মাঝ পদ্মায় গিয়ে দেখা যায় একটি সিবোট দিয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র বাংলাবাজার ঘাটের টিআই মো. আক্তার হোসেন ও সাগর নামে তার একজন সহকারী ট্রলার হতে চাঁদা আদায় করছে। সাংবাদিক দেখে দ্রুত ট্রলার নিয়ে সেখান থেকে চলে যায় আক্তার হোসেন। এর কিছুক্ষন পরে বাংলাবাজার ট্রলার ঘাটে এসে এক ট্রলার চালকের কাছে চাঁদা চেয়ে না পেয়ে ট্রলার চালককে আটক করে নিয়ে যায়।
এব্যাপারে টিআই আক্তার হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি চাঁদাবাজির কাথা অস্বীকার করে বিআইডব্লিউটিএ’র কাজ করছেন বলে জানান। নদীর মাঝে আপনি কাজ করতে পারেন কীনা ? আপনার সিবোট কর্তৃপক্ষ দিয়েছে কীনা?- এমন প্রশ্নের কোন সদোত্তর দিতে পারেননি তিনি।
এ ব্যাপরে মাওয়া বন্দর কর্মকর্তা মো. শাহাদাৎ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাঝ পদ্মায় তার ডিউটি থাকার কথা নয়। তাছাড়া কর্তৃপক্ষ তাকে কোন প্রকার সিবোটও দেননি।#