শ্রীনগরে মুজিব বর্ষের তোরণ পুননির্মাণ নিয়ে ২ গ্রুপে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

33

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে মুজিব বর্ষের শুভেচ্ছা দেওয়া তোরণ পুননির্মাণকে কেন্দ্র করে ২ গ্রুপে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কেয়টখালী এলাকার ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেনে এঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়,ষোলঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোঃ আজিজুল ইসলাম মুজিববর্ষ উপলক্ষে ওই এলাকার ডাক্তার রোডের মাথায় তোরণ নির্মাণ করেন। গত রবিবার রাতের ঝড়ে তোরণটি ভেঙ্গে যায়। মঙ্গলবার সকালে আজিজুল ইসলামের লোকজন পুনরায় তোরণটি নির্মাণ শুরু করে। এসময় সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা ও উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী পরাজিত প্রার্থী মোঃ জাকির হোসেনের লোকজন বাধা প্রদান করে। খবর পেয়ে আজিজুল ইসলাম ঘটনাস্থলে ছুটে যান। এসময় জাকির হোসেন পক্ষের লোক হিসাবে পরিচিত ষোলঘর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মনিরুল ইসলাম উজ্জল এসে তোরণটি নির্মানের জন্য বললে তোরণ নির্মাণ শুরু হয়। আজিজুল ইসলাম তার লোকজন নিয়ে ওই এলাকা থেকে চলে আসেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা ১১ টার দিকে জাকির হোসেন লোকজন নিয়ে এসে তোরণ নির্মাণে বাধা প্রদান করেন। এসময় তার লোকজন হকিস্টিক সহ হাজির হলে ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। খবর পেয়ে আজিজুল ইসলামের লোকজন এসে মুুখমুখী অবস্থান নেয়। এসময় দুগ্রুপের মধ্যে তর্ক বিতর্কের পর দুই গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুধু হয়। শ্রীনগর থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। তারা আরো জানান, এর আগেও এই তোরণটিতে আগুন দেওয়া হয়েছিল। ওই ঘটনায় বেশ কিছুদিন এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করেছিল।
এব্যাপারে মোঃ জাকির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, আমাকে জিজ্ঞেস না করে আমার জায়গায় তোরণ নির্মাণ করায় আমি বাধা দিয়েছি।
ষোলঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুল ইসলাম বলেন, তোরণটি নির্মাণ করা হচ্ছিল সরকারী রাস্তায়। বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলার পর জাকির হোসেন পক্ষের লোক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম উজ্জল তা ফয়সালা করে দেন। তারপরও পরিস্থিতি ঘোলাটে করার জন্য জাকির হোসেন নিজে উপস্থিত হয়ে তোরণ মির্মাণে বাধা প্রদান করেছেন।
শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হেদায়াতুল ইসলাম ভূঞা বলেন, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। দুপক্ষকেই আপাতত তোরণ নির্মাণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।